Post by Roze Akter
Entrepreneur ESDP manufacturers and seller
আপনি আপনার স্ত্রীকে তার ন্যায্য প্রয়োজনে টাকা দেওয়ার পর কখনো খোঁটা দিতে পারবেন না। এই অধিকার আপনার নেই। বরং তার ভরণ-পোষণ সহ নিত্য প্রয়োজনাদি মেটানো আপনার নৈতিক দায়িত্ব এবং ধর্মীয় কর্তব্য। বাড়িওয়ালার ভাড়া চুকানোর সময় আমরা কখনো এমনটা ভাবি না যে, এটা তার প্রতি আমার অনুগ্রহ। দোকানীকে বিল দেয়ার সময় আমরা কখনো মনে করি না যে, তার প্রতি দয়া করছি। বরং কেউ যদি কখনো এদের সাথে অনুগ্রহ সূলভ আচরণ করে, তার কপালে চড় থাপ্পড়ও জুটতে পারে। কখনো স্ত্রীকে বলবেন না, 'সারাদিন এতো টাকা টাকা করো কেন? টাকা দিয়ে কী করো? কামাই করো না তো, তাই বুঝো না কত কষ্টে এই টাকা কামাই।' এমন অনেক মানুষকে চিনি, যারা ঈদ উপলক্ষে মায়ের জন্য আয়োজন করে শপিং করে। নানারকম ঈদসামগ্রী কিনে দেয়। অথচ স্ত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে। এমনও হতে পারে, আপনার মাকে দেয়ার মতো অনেকেই আছে। আপনার অন্য ভাইবোনেরা আছে। কিন্তু আপনার স্ত্রী? তাকে দেয়ার মতো কে আছে আপনি ছাড়া? একটা কোর্সের রেজিস্ট্রেশনের কাজ সামাল দিতে গিয়ে দেখলাম, বহু বোন তাদের ফ্যামিলির কাছ থেকে নূন্যতম হাত খরচটাও পান না। ইসলামি শারিয়াহর প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা জানিয়ে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা বাহিরে জব করেন না হয়তো। কিন্তু বাবা, ভাই কিংবা স্বামীর পক্ষ থেকে তাদের ন্যায্য খরচটুকুও পাওয়া হয় না। অন্যের হক বুঝিয়ে না দিয়ে আপনি মাহফিলে মাহফিলে দৌড়াচ্ছেন? মাসের পর মাস তাবলীগে সময় দিচ্ছেন? এই ইসলাম আপনি পেলেন কোত্থেকে? লিখাঃ- #উস্তাদ_আবুল_হাসানাত_কাসিম Meyera besi lafaiona, tumader o onek daitto ache husband er proti 😀