Post by Muhammad Sheikh Ramzan Hossain

Editor-in-Chief at The World Islamic Science-Tech Review

জাবির ‘রূহ’ ও ‘জিসম’ এই দুই বিষয়কে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন। ‘রূহ’ মানে আত্মা এবং ‘জিসম’ মানে দেহ। জিসমের অন্য নাম হলো ‘নফস’। রূহ জিবিত, নফ্স মৃত। যে কোন পদার্থের পরিচ্ছন্নতা, স্বচ্ছতা বা উজ্জ্বলতাকে বলা হয় আত্মা বা জীবন্ত। অপরিষ্কার ও অনুজ্জ্বল পদার্থকে বলা হয় মৃত বা নফ্স। প্রত্যেক রাসায়নিক দ্রব্যই অন্যসব জীবজন্তুর মত দেহ এবং আত্মার সন্বয়ে গঠিত। এর একটি হলো দৈহিক অংশ ও অন্যটি হলো আত্মিক অংশ। রাসায়নিকের কাজ হলো দেহ এবং আত্মা সঠিকভাবে বিন্যাস করে যে, দেহে আত্মা যতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে অবস্থান করতে পারে, সেই দেহকে ততটা সুগঠিত করে দেওয়া। ধাতুর রূপান্তরের কাজটি অনেকটা আত্মাকে দেহের মধ্যে সন্নিবেশ করার মতই। প্রত্যেক প্রাণী পানি থেকে উদ্ভূত মর্মে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আছে। তবে ব্যতিক্রম মানবাত্মা বা রুহ। রুহ কি? এ প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ তায়ালা ফরমানঃ রুহ হলো আদেশ। মহাবিশ্বকে যদি দেহ ধরা হয় তাহলে তার আত্মা বা রুহ হচ্ছে উচ্চশক্তির বিকিরণ (Highest Energetic Radiation) যার মহাবিস্ফোরণে (Big Bang) মহাবিশ্বের (Universe) উদ্ভব। স্ট্রিং থিওরি এবং কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রত্যেক পদার্থ কম্পন থেকে উৎপন্ন আর কম্পন শক্তি থেকে উদ্ভব। সুতরাং প্রত্যেক বস্তুর দেহ হলো ইলেকট্রন+কোয়ার্ক আর তার রূহ বা আত্মা হলো শক্তি (Energy)।

Post content